Menu

 



#### উপকরণ:

- **আলু**: ৪-৫টি (সেদ্ধ)

- **পেঁয়াজ**: ১টি (মিহি কুচি করা)

- **সবুজ মরিচ**: ২টি (কুচি করা)

- **ধনেপাতা**: ২ টেবিল চামচ (মিহি কুচানো)

- **মরিচ গুঁড়া**: ১ চা চামচ

- **ভাজা জিরা গুঁড়া**: ১/২ চা চামচ

- **গরম মশলা গুঁড়া**: ১/২ চা চামচ

- **লবণ**: স্বাদমতো

- **বেসন**: ১ কাপ

- **হলুদ গুঁড়া**: ১/২ চা চামচ

- **তেল**: ভাজার জন্য

- **পানি**: প্রয়োজনমতো (ব্যাটার তৈরি করার জন্য)


#### পদ্ধতি:


##### আলুর পুর তৈরি:

1. সেদ্ধ আলু ভালোভাবে মাখিয়ে নিন।

2. এর মধ্যে পেঁয়াজ কুচি, সবুজ মরিচ, ধনেপাতা, মরিচ গুঁড়া, ভাজা জিরা গুঁড়া, গরম মশলা গুঁড়া এবং লবণ মিশিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন।

3. এই মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট গোল বা চ্যাপ্টা টিকিয়া আকারে তৈরি করুন।


##### ব্যাটার তৈরি:

1. একটি বাটিতে বেসন, হলুদ গুঁড়া এবং সামান্য লবণ মিশিয়ে নিন। এতে প্রয়োজনমতো পানি যোগ করে একটি ঘন ব্যাটার তৈরি করুন।


##### ভাজার পদ্ধতি:

1. একটি প্যানে তেল গরম করুন।

2. আলুর টিকিয়াগুলো বেসনের ব্যাটারে ডুবিয়ে নিন এবং গরম তেলে ডিপ ফ্রাই করুন।

3. প্রতিটি চপ সোনালি বাদামি রঙ না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। ভাজা হলে তেল থেকে তুলে টিস্যু পেপারে রাখুন যাতে অতিরিক্ত তেল শুষে যায়।


#### পরিবেশন:

গরম গরম আলুর চপ পরিবেশন করুন টমেটো সস বা ধনেপাতার চাটনির সাথে। এটি চা বা কফির সাথে সন্ধ্যার নাস্তায় দুর্দান্ত উপভোগ্য।


আলুর চপ বাংলাদেশ ও ভারতের জনপ্রিয় স্ন্যাক্সগুলোর মধ্যে অন্যতম।

0




সবজি ও ডিমের চিলা
(Vegetable and Egg Cheela) রেসিপি দিচ্ছি যা সকালের নাস্তায় খুবই জনপ্রিয়:


#### উপকরণ:

- **বেসন (চানার ডাল গুঁড়া)**: ১ কাপ

- **পেঁয়াজ**: ১টি (মিহি কুচি করা)

- **গাজর**: ১টি (কুচানো)

- **বাঁধাকপি**: ১/২ কাপ (কুচানো)

- **সবুজ মরিচ**: ২টি (মিহি কুচি করা)

- **ধনেপাতা**: ১ টেবিল চামচ (মিহি কুচানো)

- **ডিম**: ১টি

- **লবণ**: স্বাদমত

- **জিরা গুঁড়া**: ১/২ চা চামচ

- **মরিচ গুঁড়া**: ১/২ চা চামচ

- **হলুদ গুঁড়া**: ১/৪ চা চামচ

- **পানি**: প্রয়োজনমতো (ব্যাটার বানানোর জন্য)

- **তেল**: চিলা ভাজার জন্য


#### পদ্ধতি:

1. প্রথমে একটি বড় বাটিতে বেসন নিন। এর মধ্যে পেঁয়াজ, গাজর, বাঁধাকপি, সবুজ মরিচ, ধনেপাতা, লবণ, জিরা গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া এবং হলুদ গুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

2. এরপর একটি ডিম ফাটিয়ে দিন এবং প্রয়োজনমতো পানি যোগ করে একটি পাতলা ব্যাটার তৈরি করুন (প্যানকেকের ব্যাটারের মতো)।

3. একটি নন-স্টিক তাওয়া বা ফ্রাইং প্যানে সামান্য তেল গরম করুন। তারপর ব্যাটার থেকে ১-২ টেবিল চামচ নিয়ে প্যানে ঢেলে চিতার মত করে ছড়িয়ে দিন।

4. চিলার নিচের দিকটা সোনালি বাদামি হলে উল্টে দিন এবং অন্য পাশটিও ভাজুন।

5. দুই পাশ ভালোভাবে ভাজা হলে চিলা প্যান থেকে তুলে নিন।


#### পরিবেশন:

সবজি ও ডিমের চিলা গরম গরম পরিবেশন করুন টমেটো সস বা ধনেপাতার চাটনির সঙ্গে। এটি স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর সকালের নাস্তা হিসেবে উপভোগ্য।


এটি বানাতে খুব অল্প সময় লাগে এবং এতে প্রচুর পুষ্টি উপাদান রয়েছে, তাই এটি সকালের নাস্তায় বেশ জনপ্রিয়।

0

 




উপকরণ:

- **ফিশ ফিলেট (রুই, কাতলা, বা যেকোনো মাছের টুকরো)**: ৫০০ গ্রাম

- **লেবুর রস**: ২ টেবিল চামচ

- **রসুন বাটা**: ১ চা চামচ

- **আদা বাটা**: ১ চা চামচ

- **মরিচ গুঁড়া**: ১ চা চামচ

- **হলুদ গুঁড়া**: ১/২ চা চামচ

- **গরম মশলা গুঁড়া**: ১/২ চা চামচ

- **লবণ**: স্বাদমতো

- **কাঁচা মরিচ পেস্ট**: ১ চা চামচ (ইচ্ছা করলে)

- **কর্নফ্লাওয়ার**: ২ টেবিল চামচ

- **তেল**: ভাজার জন্য

- **ধনেপাতা**: সাজানোর জন্য


#### পদ্ধতি:

1. প্রথমে মাছের ফিলেটগুলো ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।

2. একটি বড় বাটিতে লেবুর রস, রসুন বাটা, আদা বাটা, মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, গরম মশলা গুঁড়া, লবণ এবং কাঁচা মরিচ পেস্ট মিশিয়ে নিন।

3. এই মিশ্রণে কর্নফ্লাওয়ার যোগ করে আবার ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণে মাছের ফিলেটগুলো ম্যারিনেট করে ৩০ মিনিট রাখুন।

4. এবার প্যানে তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হলে মাছের ফিলেটগুলো দিয়ে ডিপ ফ্রাই করুন। প্রতিটি ফিলেট সোনালি রঙ না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।

5. ভাজা হয়ে গেলে টিস্যু পেপারের ওপর রাখুন যাতে অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়।

6. উপর থেকে সামান্য ধনেপাতা কুচি দিয়ে সাজিয়ে দিন।


 পরিবেশন:

লেবুনি ফিশ ফ্রাই গরম গরম পরিবেশন করুন সালাদ বা সসের সঙ্গে। এটি সন্ধ্যার নাস্তা হিসেবে অথবা ডিনারের সাথে পরিবেশন করা যায়। 


মাছের এই ফ্রাই রেসিপিটি স্বাস্থ্যকর ও হালকা, তাই বেশ জনপ্রিয়।

0

 












উপকরণ:

-**চিকেন (মুরগি)**: ৫০০ গ্রাম (ছোট ছোট টুকরো করে কাটা)

- **পেঁয়াজ**: ২টি (কুচি করা)

- **রসুন বাটা**: ১ টেবিল চামচ

- **আদা বাটা**: ১ টেবিল চামচ

- **সবুজ মরিচ**: ৪-৫টি (কুচি করা)

- **টমেটো পিউরি**: ১ কাপ

- **মরিচ গুঁড়া**: ১ টেবিল চামচ

- **হলুদ গুঁড়া**: ১ চা চামচ

- **ধনিয়া গুঁড়া**: ১ চা চামচ

- **গরম মশলা গুঁড়া**: ১ চা চামচ

- **লবণ**: স্বাদমত

- **তেল**: ৩ টেবিল চামচ

- **ধনেপাতা**: সামান্য (কুচি করা)


#### পদ্ধতি:

1. প্রথমে মুরগির টুকরোগুলোকে ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।

2. একটি প্যানে তেল গরম করুন এবং পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভাজুন।

3. এরপর আদা বাটা, রসুন বাটা এবং কুচানো সবুজ মরিচ দিয়ে ২-৩ মিনিট ভাজুন।

4. তারপর টমেটো পিউরি দিয়ে আরো ৩-৪ মিনিট নেড়ে নিন।

5. এতে হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, এবং লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে ২-৩ মিনিট রান্না করুন।

6. মশলা ভাজা হলে মুরগির টুকরো দিয়ে দিন এবং ভালোভাবে নেড়ে ১০-১৫ মিনিট ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন যাতে মশলা মুরগির সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়।

7. মুরগি ভালোভাবে সেদ্ধ হলে উপর থেকে গরম মশলা গুঁড়া ছিটিয়ে দিন।

8. নামানোর আগে ধনেপাতা কুচি ছিটিয়ে দিন।


গরম গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু স্পাইসি চিকেন !


এটি পোলাও বা রুটির সাথে দুর্দান্ত খেতে লাগে।

0






**উপকরণ:**

- পনির: ২৫০ গ্রাম (কিউব করে কাটা)

- পেঁয়াজ: ২টি (কোটা করে কাটা)

- টমেটো: ২টি (কোটা করে কাটা)

- আদা-রসুন বাটা: ১ চা চামচ

- হালুদ গুঁড়ো: ১/২ চা চামচ

- মরিচ গুঁড়ো: ১ চা চামচ

- ধনে গুঁড়ো: ১ চা চামচ

- জিরে গুঁড়ো: ১/২ চা চামচ

- গরম মসলা: ১/২ চা চামচ

- নুন: পরিমাণমতো

- চিনি: ১ চা চামচ (ঐচ্ছিক)

- তেল: ৩-৪ চা চামচ

- ধনে পাতা: কুচি (সাজানোর জন্য)


**প্রস্তুত প্রণালী:**

1. **তেল গরম করা:** একটি কড়াইয়ে তেল গরম করুন। তেল গরম হলে তাতে পেঁয়াজ দিন এবং সোনালী বাদামী হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।


2. **আদা-রসুন বাটা যোগ করুন:** পেঁয়াজ ভাজা হলে, আদা-রসুন বাটা দিন এবং আরও কিছুক্ষণ ভাজুন যতক্ষণ না কাঁচা গন্ধ চলে যায়।


3. **মসলা যোগ করা:** এখন হালুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, এবং জিরে গুঁড়ো যোগ করুন। কিছুক্ষণ মসলা ভাজুন যাতে তেল ছেড়ে দেয়।


4. **টমেটো যোগ করা:** টমেটো যোগ করুন এবং টমেটো নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। টমেটোটা ভালোভাবে মিশে গেলে, একটু জল দিতে পারেন যদি মিশ্রণ শুকিয়ে যায়।


5. **পনির যোগ করা:** এবার পনির কিউবগুলো যোগ করুন এবং ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। 


6. **গরম মসলা ও নুন যোগ করা:** গরম মসলা ও নুন যোগ করুন। কিছুক্ষণ রান্না করুন যতক্ষণ পনির মসলার সাথে মিশে না যায়।


7. **চিনি যোগ করা (ঐচ্ছিক):** একটু মিষ্টি স্বাদ পেতে চাইলে, চিনি যোগ করুন এবং ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।


8. **সাজানো:** রান্না শেষ হলে ধনে পাতা কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।


গরম ভাত বা রুটির সাথে পনির কষা খুবই সুস্বাদু লাগে। আশা করি রেসিপিটি আপনার পছন্দ হবে!

পনির কষার পুষ্টিগুণ অনেক। এখানে তার কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা:


### পনির কষার পুষ্টিগুণ


1. **প্রোটিন:** পনির প্রোটিনের ভালো উৎস, যা আপনার মাংসপেশী শক্তিশালী করতে সাহায্য করে এবং শরীরের কোষ পুনর্নির্মাণে সহায়ক।


2. **ক্যালসিয়াম:** পনির ক্যালসিয়ামের একটি ভাল উৎস, যা হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।


3. **ভিটামিন বি১২:** পনির ভিটামিন বি১২-তে সমৃদ্ধ, যা শরীরের রক্তসঞ্চালন এবং স্নায়ু সিস্টেমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।


4. **ফসফরাস:** পনিরে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস থাকে, যা হাড় ও দাঁতের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরের শক্তি উৎপাদনে সহায়ক।


5. **ভিটামিন ডি:** কিছু পনিরে ভিটামিন ডি থাকে, যা ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে।


6. **ভিটামিন এ:** পনিরের মধ্যে ভিটামিন এ থাকে, যা চোখের স্বাস্থ্য এবং ত্বকের সুরক্ষায় সাহায্য করে।


7. **আয়রন:** পনির কিছু পরিমাণ আয়রনও প্রদান করে, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বজায় রাখতে সহায়ক।


8. **চর্বি ও কোলেস্টেরল:** পনিরে নির্দিষ্ট পরিমাণ চর্বি ও কোলেস্টেরল থাকে, তাই এটি কিছু পরিমাণে সতর্কতার সাথে খাওয়া উচিত। তবে, যদি আপনি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য বজায় রাখতে চান, কমফ্যাট বা লো-ফ্যাট পনির ব্যবহার করতে পারেন।


**মনে রাখবেন:** পনির সাধারণত বেশিরভাগ সময় তেলের সাথে রান্না করা হয়, তাই তেলের পরিমাণও মনোযোগ সহকারে ব্যবহার করা উচিত যাতে অতিরিক্ত ক্যালোরি এবং চর্বি না বাড়ে।


এইসব পুষ্টিগুণের পাশাপাশি, পনির কষা একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার হতে পারে যদি সঠিক পরিমাণে ও স্বাস্থ্যকর উপাদান ব্যবহার করা হয়।

0





### জলপাই আচার তৈরির উপকরণ:

- **জলপাই (কাঁচা জলপাই)**: ২৫০ গ্রাম

- **সরষের তেল**: ৪-৫ টেবিল চামচ

- **হলুদ গুঁড়ো**: ১ চা চামচ

- **লাল মরিচ গুঁড়ো**: ১ চা চামচ (স্বাদ অনুযায়ী কম বেশি করুন)

- **কালো জিরা**: ১/২ চা চামচ

- **ফেনেল বীজ**: ১ চা চামচ

- **মেথি বীজ**: ১/২ চা চামচ

- **সরষে বীজ**: ১/২ চা চামচ

- **লবণ**: ১ ১/২ চা চামচ (স্বাদ অনুযায়ী)

- **চিনি**: ১ টেবিল চামচ

- **সবুজ মরিচ**: ২-৩টি, কাটা (ঐচ্ছিক, অতিরিক্ত ঝাল জন্য)

- **ভিনেগার**: ২ টেবিল চামচ (ঐচ্ছিক, আরও টকপনা জন্য)


### পুষ্টিগুণ:

- **জলপাই**: জলপাই অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং এতে প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফাইবার, এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস থাকে। এটি হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এবং হজমে সহায়তা করে।


### প্রণালী:


1. **জলপাই প্রস্তুত করা:**

   - জলপাই ভালো করে ধোওয়া এবং একটি শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন।

   - জলপাইগুলোকে চতুর্ভুজ বা অর্ধেক করে কেটে নিন।


2. **মসলা প্রস্তুত করা:**

   - একটি শুকনো প্যানে ফেনেল বীজ, মেথি বীজ, এবং সরষে বীজ হালকা ভাবে ভাজুন যতক্ষণ না সুগন্ধ বের হয়। ঠান্ডা হতে দিন।

   - এই ভাজা বীজগুলো একটি কাঁটাচামচ বা মসলার পাটায় কোষ্ঠে গুঁড়ো করে নিন।


3. **তেল গরম করা:**

   - একটি প্যানে সরষের তেল গরম করুন যতক্ষণ না তেল সামান্য ধোঁয়া বের হয়। তেল ঠান্ডা হতে দিন।


4. **উপকরণ মেশানো:**

   - একটি মিশ্রণ পাত্রে জলপাই, হলুদ গুঁড়ো, লাল মরিচ গুঁড়ো, কালো জিরা, গুঁড়া মসলা, লবণ এবং চিনি যোগ করুন।

   - যদি ব্যবহার করেন, সেখানেও কাটা সবুজ মরিচ এবং ভিনেগার যোগ করুন।


5. **মিশ্রণ করা:**

   - গরম সরষের তেল জলপাইয়ের মিশ্রণের উপর ঢালুন এবং ভালো করে মেশান যাতে সব জলপাই মসলার সাথে ভালো করে মিশে যায়।


6. **মেরিনেট করা:**

   - মিশ্রণটি একটি পরিষ্কার, শুকনো কাঁচের জারে স্থানান্তর করুন।

   - জারটি ভালোভাবে বন্ধ করুন এবং আচারটি ২-৩ দিন রুম টেম্পারেচারে রেখে দিন যাতে মসলার স্বাদ ভালো করে মিশে যায়।


7. **সংরক্ষণ:**

   - প্রাথমিক মারিনেট করার পর, আচারটি ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। এটি বেশ কিছু সপ্তাহ ধরে ভালো থাকবে।


এখন আপনি এই স্বাদে ভরা জলপাই আচার উপভোগ করতে পারেন!

0

Author

Hello, My Name is Mst Shapla.
Learn More →

Follow Us